আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে..বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত সব গানের মধ্যে এটিও আমার প্রিয় গানগুলোর একটি। যখন দুঃখ আসে, কারও মৃত্যুর কথা শুনি, যখন অভাব দরজায় কড়া নাড়ে, যখন হতাশার নীল সাগরে ডুবে যাই, তখন মনে মনে, কিংবা ধীরে-ধীরে কেবলই এ গানটিই গাইবার চেষ্টা করি।
আজও কেন যেন মনটা ভারাক্রান্ত। সকালে ঘুম ভেঙে জেগে মাথার কাছে রাখা ফোনটা হোতে তুলে নিতেই দেখি চারটা মিসড কল স্ক্রিনে ভেসে আছে। দেখলাম-সবগুলোই মেজ আপা- ‘ছোটদিদির’। ফোন করতেই রিসিভ করে না ধরতে পারার কারণ বলে ক্ষমা চেয়ে নিই। জানতে পারি ৩দিন ধরে অসুস্থ তিনি।
স্যালাইন চলছে। তরল ছাড়া কোনো শক্ত খাবার খাওয়া নিষেধ। তবে আজ একটু ভাল। উঠে বসতে পারেন। যাক, মনটা হালকা হলো। কিন্তু তার যে অসুস্থতা, সেটি জটিল রোগের। থাইরয়েড। কলকাতায় চিকিৎসা করিয়েছেন, ঢাকায় তো চলছেই। বেশ ক’দিন পরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে নিয়ে বেশ চিন্তিত আমি।
তবে আমার আজকের দুঃখ ভারাক্রান্ত হওয়ার কারণ ঠিক এটি নয়, যদিও বিষয়টি আমার কাছে পরিস্কার হয়েছে কয়েক ঘণ্টা পরে। সেটি একান্তই আমার ব্যক্তিগত-পারিবারিক। না, না, পারিবারিক অশান্তির জন্য কিংবা ঝগড়া-ঝাটির জন্যও নয়। আল্লাহ অশেষ রহমতে পরিবারে এখনো সেরকম অবস্থা হয়নি। সুখি পরিবার বলেই ঘরে সুখ দিয়েছেন আল্লাহ।
আমার শরীরের অবস্থাও বেশ একটা ভালো নয়, ক‘দিন পরপর আমিও অসুস্থ হয়ে পড়ি। এভাবে চলতে থাকলে-আমার স্ত্রী-সন্তানের অবস্থা কী হবে-এই ভেবে।
যখন স্বামীহারা কোনো বোন কিংবা পিতাহারা সন্তানের সঙ্গে আলাপ হয়, তখন নিজের স্ত্রী-সন্তানের কথাই মনে হয়-কী হবে ওদের! জানি, আল্লাহ দেখবেন-যিনি এখনো দেখছেন, অতীতে দেখেছেন। কিন্তু তারপরেও মন মানে না।
এভাবেই চলে যায় দিন। আরেকটা নতুন সকাল আসে-দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়, সন্ধ্যা নামে। রাত গভীর হতে হতে আবার উঁকি মারে ভোরের সোনালী সূর্য। আসে দুঃখ, আসে সুখও।
আজও কেন যেন মনটা ভারাক্রান্ত। সকালে ঘুম ভেঙে জেগে মাথার কাছে রাখা ফোনটা হোতে তুলে নিতেই দেখি চারটা মিসড কল স্ক্রিনে ভেসে আছে। দেখলাম-সবগুলোই মেজ আপা- ‘ছোটদিদির’। ফোন করতেই রিসিভ করে না ধরতে পারার কারণ বলে ক্ষমা চেয়ে নিই। জানতে পারি ৩দিন ধরে অসুস্থ তিনি।
স্যালাইন চলছে। তরল ছাড়া কোনো শক্ত খাবার খাওয়া নিষেধ। তবে আজ একটু ভাল। উঠে বসতে পারেন। যাক, মনটা হালকা হলো। কিন্তু তার যে অসুস্থতা, সেটি জটিল রোগের। থাইরয়েড। কলকাতায় চিকিৎসা করিয়েছেন, ঢাকায় তো চলছেই। বেশ ক’দিন পরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাকে নিয়ে বেশ চিন্তিত আমি।
তবে আমার আজকের দুঃখ ভারাক্রান্ত হওয়ার কারণ ঠিক এটি নয়, যদিও বিষয়টি আমার কাছে পরিস্কার হয়েছে কয়েক ঘণ্টা পরে। সেটি একান্তই আমার ব্যক্তিগত-পারিবারিক। না, না, পারিবারিক অশান্তির জন্য কিংবা ঝগড়া-ঝাটির জন্যও নয়। আল্লাহ অশেষ রহমতে পরিবারে এখনো সেরকম অবস্থা হয়নি। সুখি পরিবার বলেই ঘরে সুখ দিয়েছেন আল্লাহ।
আমার শরীরের অবস্থাও বেশ একটা ভালো নয়, ক‘দিন পরপর আমিও অসুস্থ হয়ে পড়ি। এভাবে চলতে থাকলে-আমার স্ত্রী-সন্তানের অবস্থা কী হবে-এই ভেবে।
যখন স্বামীহারা কোনো বোন কিংবা পিতাহারা সন্তানের সঙ্গে আলাপ হয়, তখন নিজের স্ত্রী-সন্তানের কথাই মনে হয়-কী হবে ওদের! জানি, আল্লাহ দেখবেন-যিনি এখনো দেখছেন, অতীতে দেখেছেন। কিন্তু তারপরেও মন মানে না।
এভাবেই চলে যায় দিন। আরেকটা নতুন সকাল আসে-দুপুর গড়িয়ে বিকেল হয়, সন্ধ্যা নামে। রাত গভীর হতে হতে আবার উঁকি মারে ভোরের সোনালী সূর্য। আসে দুঃখ, আসে সুখও।

এটি কেবলই আজ সকালে নয়, কোনো রোদেলা দুপুরের, কিংবা পড়ন্ত বিকেলের কথাও
উত্তরমুছুনভাই জীবন যেখানে যেমন সেখানে আল্লাহ সেভাবেই সবাইকে নিজস্ব গতিতে পার করবেন এটাই সৃষ্টিকর্তার সৃষ্টির মহিমা। আর আমরা আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে সেটা অবশ্যই আমাদের মেনে নেয়াই কাম্য। দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে আপনার পরিবার এবং আমাদের সবাইকে ভালো এবং সুস্থ্ রাখুন।
উত্তরমুছুন