কাইয়ুম আহমেদ
সংবাদ এবং সাংবাদিকতা ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি এখনো, হয়নি জাতের সাংবাদিকও। কিন্তু হৃদয়ের স্পন্দন-সাংবাদিকের, পেশায়ও সাংবাদিক। সবদিক জানার আগ্রহ আছে-আছে ডানা মেলে দশদিক দেখার আগ্রহও। কিন্তু ‘দেখা হয় নাই, চক্ষু মেলিয়া-ঘর হইতে দুই পা ফেলিয়া’-যেন আজন্ম গৃহবন্দি আমি। গৃহকোণে, জানালায়-হাত রেখেই দেখি গোটা বিশ্ব-বিশ্বের সঙ্গে গড়ি সখ্য। জীবন ও যৌবনে এ সখ্য গড়েই হেঁটেছি এতটা পথ। এতটা বলতে ততটা নয়- যতটা এ পেশায় হওয়া দরকার। তাই তো হতে পারিনি সাংবাদিক। তবে হ্যাঁ, ভাল-মন্দ-ন্যায়-অন্যায়, দেশ-বিদেশ সবই বুঝতে চেষ্টা করি, আর এ বুঝতে পারার মধ্যেই আছে সাংবাদিকতার লেশবিশেষ। যাহোক, সাংবাদিক না হতে পারার কারণ হয়ত এখনো অজানা-এখনো এ মহান পেশার গভীরেও যেতে পারিনি। পারিনি বুঝতে সাংবাদিকতা। কিন্তু তবুও প্রশ্ন-যারা ‘সাংবাদিক’ বলে রাজপথ কাঁপান-টেলিভিশন টকশো কিংবা প্রেস ক্লাব ইউনিয়নে গলাবাজি করেন, সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন, খোঁজেন সুগন্ধের ভেতরে দুর্গন্ধ-তারা কেন সব জায়গা দখল করে রাখে, কি অধিকার তাদের? বলছি জাতীয় প্রেস ক্লাবের কথা। সদস্য হতে হলে যে গুণাবলী প্রয়োজন-তার কতটুকু আছে নুতন-পুরনো সদস্যদের সবার মধ্যে? জানিনা।
অন্দোলন চলছে-প্রেস ক্লাবের সদস্যপদ পাওয়ার জন্য। যারা আন্দোলন করছেন এবং করেছেন-তারা আসল জায়গাটা ছেড়ে করছেন নাকি ওই জায়গায় স্থির থেকেই করছেন-বুঝতে কষ্ট হয়। আসল জায়গা বলতে আমি সাংবাদিকতার সংজ্ঞাকেই প্রাধান্য দিচ্ছি। কেননা-আন্দোলনে যাদের চেহারা দেখছি-তাদের মধ্যে কতজনই বা সাংবাদিকতার সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত হবেন, জানিনা, যারা করছেন-এবং করাচ্ছেন তারাই ভাল বলতে পারবেন। আসি অন্য কথায়, প্রেস ক্লাবের সদস্য হলেই সাংবাদিক না হলে নয়, দৈনিক জনতার (আমার এক সময়ের কর্মস্থল) এক প্রতিবেদক সম্প্রতি একটি পোস্ট করেছেন-তাতে তিনি তার চাচার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, ‘তুমি প্রেস ক্লাবের সদস্য হতে পারনি, কেমন সাংবাদিক তুমি? এই হচ্ছে আজকের সাংবাদিকতার নমুনা। সাংবাদিকতার সঙ্গে প্রেস ক্লাবের সদস্য হওয়া বা না হতে পারার কি সম্পর্ক তা বোধগম্য নয় আমার কাছে। তবে আমি আগেই জানিয়েছি, আমি সাংবাদিক হতে পারিনি এখনো। তাই সফিক সাহেবকে অভয় দিয়েই লিখছি, আমি আপনার উদ্দেশে এ কথাগুলো উল্লেখ করিনি। একাট উদাহরণ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছি মাত্র। সাংবাদিকতা থাকুক সাংবাদিতার মধ্যেই-সাংবাদিক গড়ে উঠুক মানবতার সুউচ্চ শিখরে পৌঁছেই-মানবতার আলোর নিচে থেকে সাংবাদিক-সাংবাদিকতা কখনই আকাশ ছুঁতে পারবে না। তবে সাংবাদিকদের এ আন্দোলনকেও খাটো করে দেখার কোনো সুযোগ নেই। অধিকার আদায়ের এ আন্দোলনে আমিও একাত্ম। নামের সাংবাদিকরা জাতীর বিবেকের জায়গা দখল করে দুর্বৃত্তের ছায়া ফেলবে তা কখনই মেনে নেয়া যায় না। সাংবাদিক সমাজ গর্জে উঠুক-জয় হোক সাংবাদিকতার। আন্দোলনের সফলতা কামনা করছি। আন্দোলনকারীদের অভিনন্দন।
সংবাদ এবং সাংবাদিকতা ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি এখনো, হয়নি জাতের সাংবাদিকও। কিন্তু হৃদয়ের স্পন্দন-সাংবাদিকের, পেশায়ও সাংবাদিক। সবদিক জানার আগ্রহ আছে-আছে ডানা মেলে দশদিক দেখার আগ্রহও। কিন্তু ‘দেখা হয় নাই, চক্ষু মেলিয়া-ঘর হইতে দুই পা ফেলিয়া’-যেন আজন্ম গৃহবন্দি আমি। গৃহকোণে, জানালায়-হাত রেখেই দেখি গোটা বিশ্ব-বিশ্বের সঙ্গে গড়ি সখ্য। জীবন ও যৌবনে এ সখ্য গড়েই হেঁটেছি এতটা পথ। এতটা বলতে ততটা নয়- যতটা এ পেশায় হওয়া দরকার। তাই তো হতে পারিনি সাংবাদিক। তবে হ্যাঁ, ভাল-মন্দ-ন্যায়-অন্যায়, দেশ-বিদেশ সবই বুঝতে চেষ্টা করি, আর এ বুঝতে পারার মধ্যেই আছে সাংবাদিকতার লেশবিশেষ। যাহোক, সাংবাদিক না হতে পারার কারণ হয়ত এখনো অজানা-এখনো এ মহান পেশার গভীরেও যেতে পারিনি। পারিনি বুঝতে সাংবাদিকতা। কিন্তু তবুও প্রশ্ন-যারা ‘সাংবাদিক’ বলে রাজপথ কাঁপান-টেলিভিশন টকশো কিংবা প্রেস ক্লাব ইউনিয়নে গলাবাজি করেন, সুযোগের অপেক্ষায় থাকেন, খোঁজেন সুগন্ধের ভেতরে দুর্গন্ধ-তারা কেন সব জায়গা দখল করে রাখে, কি অধিকার তাদের? বলছি জাতীয় প্রেস ক্লাবের কথা। সদস্য হতে হলে যে গুণাবলী প্রয়োজন-তার কতটুকু আছে নুতন-পুরনো সদস্যদের সবার মধ্যে? জানিনা।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন