তোমার চলে যাওয়ায় দীন আমি. বাবা

আমার পিতৃহারা হওয়ার দিনটি আজ। ১৯৮৪ সালের এই দিনে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে যান পরপারে। ১৮ ডিসেম্বর আমার জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে শোকাবহ দিন। যদিও জানি ‘জন্মিলে মরিতেই হইবে’, তবুও মনের সব শক্তি যেন সেদিনই ফুরিয়ে গিয়েছিল। সেই দিন থেকে আজ পর্যন্ত এমনকি যতদিন পৃথিবীতে পড়বে আমার ছায়া ততদিন বয়ে বেড়াব এ শোক।আমার বাবার চলে যাওয়ার দিন থেকে যে পথচলা শুরু হয়েছে একাকী, তা চলছে। যদিও বিয়ে করেছি, একজন বাবাও পেয়েছি, বাবা হয়েছে, তবুও তার চলে যাওয়া আমার জন্য অপূরণীয় ক্ষতিরই কারণ। তিনি বেঁচে থাকলে হয়ত আমার জীভনে নেমে আসত না কোনো বিপর্যয়। যদিও তিনি মারা যান ৮৫ বছর বয়সেই। তিনি বেঁচে থাকলে ১১৫তে পা দিতেন। সে যাক, আমার জন্মদাতা, আমার পৃথিবীতে আলো যিনি দেখিয়েছেন, তিনি আমার বাবা। সেই বাবাকে তেমন আজ মনে করিনা, স্মরণ করিনা, অকৃতজ্ঞ আমি। আজ তার মহাবিদায়ের দিনে অন্তরের অন্তস্থল থেকে জানাই শ্রদ্ধা, মহান সৃষ্টিকর্তা তার আত্মা শান্তিতে রাখুন, চিরশান্তি নিয়ে বেহেসত থেকেই আমাদের জন্য দোয়া করুন। তিনি থাকুন আমার হৃদয়ে। 
মনে পড়ে, ছেলে বেলার সেই ছুটোছুটি, বাবার হাত ধরে সেই সব দিনগুলো, আজ আর সেভাবে কেউ হাত ধরে না, কাছে আয় বলে ডাকে না। বড্ড বিকিকিচ্ছিরি সব ভাবের মধ্যে ডুবে যাই, ভাবতে পারি না কোনো কিছু, সামনে পড়ে থাকে অনেক কাজ, করতে পারিনা তাও, এ আমার ব্যর্থতা। এ ব্যর্থ তা থেকে মুক্ত কর প্রভু।মনে পড়ে, ছেলে বেলার সেই ছুটোছুটি, বাবার হাত ধরে সেই সব দিনগুলো, আজ আর সেভাবে কেউ হাত ধরে না, কাছে আয় বলে ডাকে না। বড্ড বিতিকিচ্ছিরি সব ভাবের মধ্যে ডুবে যাই, ভাবতে পারি না কোনো কিছু, সামনে পড়ে থাকে অনেক কাজ, করতে পারিনা তাও, এ আমার ব্যর্থতা। এ ব্যর্থ তা থেকে মুক্ত কর প্রভু।আমার বাবা, তুমি থেক অনন্তকাল, আমার হৃদয়ে, আমার ঘরে যে বাবার জন্ম তুমি দেখনি, তাকেও দিও তোমার দোয়ার কিঞ্চিত। চোখের জলে আজ আমার বুক ভাসেনা, কষ্টে বুক ফেটে যায়, বুকের ভেতরে কষ্টেরা জমা হয়, আজ সত্যিই আমি দীন, দুখী। আমায় পথ দেখাও তুমি। আকাশের দিকে চেয়ে থাকি, তোমার অপেক্ষায়, তুমি দাও শক্তি, তোমার মধ্যে থাকার প্রেরণা।  

মন্তব্যসমূহ