ফুলেরা পাপড়িতে ডাকে

প্রকৃতির শুভ্রতার কাছে যেতে গিয়েও মাঝে-মধ্যে থমকে দাঁড়াতে হয়, কী এক ব্যকুলতা ডাকে পেছনে। কেবলই অজানা সে সুরে গা ভাসিয়ে উদাসী বনে হারিয়ে যাই। ফুল হাসে স্থলে-গাছের ডগায়, পানিতেও। আমি হাসি নীল বেদনার সাগরে ভেসে, অজানা সেই সুরে সুরে। কী সুর, কোথা থেকে ভেসে আসে, তা জানতে ব্যাকুল হই না, নেই কোনো তাড়াও। ফুলের সুবাস মেখে-দু’হাত উপরে তুলে আনন্দেও ভাসতে চাই।


কোমল প্রাণে, কচি কণ্ঠে আসে এক ‘ডাক’-সে সব ডাকের চেয়েও উত্তম। সব ফেলে সে ডাকে ছুটি-ছুটতে উদ্যত হই-পারিনা। পাছে জীবনের খেলা থামিয়ে দেয়, বাধা পড়ে কাছে ফিরতে। জীবন ও যৌবনে খেলা পড়ে ছিল বেলায়, আজ অবেলায় সেই খেলায় বাধা পড়ে আছে সব ডাক। শত ডাক আসে, বাধা পড়ে হাসে-জীবনেরই জয়গানে। কী কথা বাজে, কী সুর ভাসে, আসে কী ডাক-ফিরে ফিরে ছুটে যাই, পেলে সময়ের দুটো ফাঁক। কী বিতিকিচ্ছরি সব ভাব মাঝে-মধ্যে মনের গহীনে উঁকি মারে-তাড়া করে ফিরে বারে বারে। পাছে পড়ে থাকে ঢোল, তবলা। বাজাতে শিখিনি, তাল লয়ও অজানা-বড্ড অস্বস্তি, লজ্জাও। গাছেরা ডাকে ডালে-ডালে, ফুলেরা পাপড়িতে-সাড়া দিতে পারিনা মোটে হেলিতে-দুলিতে।

  

মন্তব্যসমূহ