কাইয়ুম আহমেদ
কী আনন্দে জল-জ্যোৎন্সায় অবগাহনের নিমন্ত্রণ আসে! হৈমন্তি-বাসন্তিরা কেবলই ডাকে, ডাক দিয়ে যায় রাত দুপুরে, সূর্যের আলোয় আড়মোড়া ভেঙে জাগি, জাগাতে ব্যর্থ চেষ্টা করি কোনো এক ঘুমজাগানিয়াকে।শিশিরভেজা
গানে গানে, সুরের ঝঙ্কারে সে ডাক হয়ে ওঠে কী যে মধুময়! সুর বাজে হৃদয়মন্দির মাঝেও,
সে সুরও হৈমন্তি-বাসন্তিরই। জীবন ও যৌবনে যে গান
হারিয়েছে গানে গানে, সুরে সুরে, সেই গানই ভোরের শিশির হয়ে ভিজিয়ে যায়। ‘শিশিরসিক্ত ঘনসৌরভে মাতানো’ সে গান কী ভাবনায় ডুবিয়ে দেয়, গুলিয়ে যাই, গুলিয়ে যায় সব।সুর ভুলে যাই-
সেই দ্রোহের কবি, সাম্যের কবির গানও- খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে।
প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা
নিরজনে প্রভু নিরজনে।।
শূন্যে মহা আকাশে
মগ্ন লীলা বিলাসে,
ভাঙিছ গড়িছ নিতি ক্ষণে ক্ষণে।।
তারকা রবি শশী খেলনা তব, হে উদাসী,
পড়িয়া আছে রাঙা পায়ের কাছে রাশি রাশি।
নিত্য তুমি, হে উদার
সুখে দুখে অবিকার;
হাসিছ খেলিছ তুমি আপন মনে।।

কী অজানায় খেলে যাই,
দুপুর, বিকাল, সন্ধ্যায় কিংবা রাতে। ভোরের শিশিরভেজা দেহ এলিয়ে দিয়ে ফুলের বিছানায়
মাখামাখি করি স্বপ্নে-জল-জ্যোৎন্সায়। আহাঃ কী খেলা আকাশে, বাতাসে! বড় সাধ জাগে, জেল-জ্যোৎন্সায়,
ফুল শয্যায় অবগাহনের, নিমন্ত্রণের। এ
নিমন্ত্রণ শ্যামল মাটির ধরাতলেই মিশে আছে। মিশে আছে বহু হৃদয়ে।আসে সে
নিমন্ত্রণ-সন্ধ্যা-সকালেও। আসে বাতাসে ভেসে। সুরে সুরে। কবেকার কোন আলোয় সে সুর
বেজে উঠেছিল, আজ জীবন ও যৌবনের মহানিমন্ত্রণে সেও ছেড়ে গেছে। এসেছে নতুন ডাক। তবে
ভোরের সোনালী সূর্যের আলোয় নয়, রাতদুপুরে, আধারেই।কী
ভাবনায় আসে আনন্দ, জানিনা, কোন অজানার পথে হারিয়ে যায় বসন্তের দিন।ঘুরে-ফিরে সেই
হৈমন্তি-বাসন্তিরা ডাক দিয়ে যায়-জল-জ্যোৎন্সায়।আনন্দ-থেকে যায় আনন্দেই-আসে যৌ্বনের
গান, আসে জীবনেরও।নতুন ভোরের সোনালী সূর্যের আলোয় হাসি-হেসে উঠি, হাসাই।হাসেনা
শুধু হৈমন্তি-বাসন্তিরা।হৈমন্তি,
বাসন্তি করে করে বেলা যায়।দিন যায় রাত আসে, আসে ভোরও। দেখা হয়না চক্ষু মেলিয়া-ঘর
হইতে দুই পা ফেলিয়া।
কাইয়ুম আহমেদকী আনন্দে জল-জ্যোৎন্সায় অবগাহনের নিমন্ত্রণ আসে! হৈমন্তি-বাসন্তিরা কেবলই ডাকে, ডাক দিয়ে যায় রাত দুপুরে, সূর্যের আলোয় আড়মোড়া ভেঙে জাগি, জাগাতে ব্যর্থ চেষ্টা করি কোনো এক ঘুমজাগানিয়াকে।শিশিরভেজা গানে গানে, সুরের ঝঙ্কারে সে ডাক হয়ে ওঠে কী যে মধুময়! সুর বাজে হৃদয়মন্দির মাঝেও, সে সুরও হৈমন্তি-বাসন্তিরই। জীবন ও যৌবনে যে গান হারিয়েছে গানে গানে, সুরে সুরে, সেই গানই ভোরের শিশির হয়ে ভিজিয়ে যায়। ‘শিশিরসিক্ত ঘনসৌরভে মাতানো’ সে গান কী ভাবনায় ডুবিয়ে দেয়, গুলিয়ে যাই, গুলিয়ে যায় সব।সুর ভুলে যাই- সেই দ্রোহের কবি, সাম্যের কবির গানও- খেলিছ এ বিশ্ব লয়ে বিরাট শিশু আনমনে।
প্রলয় সৃষ্টি তব পুতুল খেলা
নিরজনে প্রভু নিরজনে।।
শূন্যে মহা আকাশে
মগ্ন লীলা বিলাসে,
তারকা রবি শশী খেলনা তব, হে উদাসী,
নিত্য তুমি, হে উদার

কী অজানায় খেলে যাই, দুপুর, বিকাল, সন্ধ্যায় কিংবা রাতে। ভোরের শিশিরভেজা দেহ এলিয়ে দিয়ে ফুলের বিছানায় মাখামাখি করি স্বপ্নে-জল-জ্যোৎন্সায়। আহাঃ কী খেলা আকাশে, বাতাসে! বড় সাধ জাগে, জেল-জ্যোৎন্সায়, ফুল শয্যায় অবগাহনের, নিমন্ত্রণের। এ নিমন্ত্রণ শ্যামল মাটির ধরাতলেই মিশে আছে। মিশে আছে বহু হৃদয়ে।আসে সে নিমন্ত্রণ-সন্ধ্যা-সকালেও। আসে বাতাসে ভেসে। সুরে সুরে। কবেকার কোন আলোয় সে সুর বেজে উঠেছিল, আজ জীবন ও যৌবনের মহানিমন্ত্রণে সেও ছেড়ে গেছে। এসেছে নতুন ডাক। তবে ভোরের সোনালী সূর্যের আলোয় নয়, রাতদুপুরে, আধারেই।কী ভাবনায় আসে আনন্দ, জানিনা, কোন অজানার পথে হারিয়ে যায় বসন্তের দিন।ঘুরে-ফিরে সেই হৈমন্তি-বাসন্তিরা ডাক দিয়ে যায়-জল-জ্যোৎন্সায়।আনন্দ-থেকে যায় আনন্দেই-আসে যৌ্বনের গান, আসে জীবনেরও।নতুন ভোরের সোনালী সূর্যের আলোয় হাসি-হেসে উঠি, হাসাই।হাসেনা শুধু হৈমন্তি-বাসন্তিরা।হৈমন্তি, বাসন্তি করে করে বেলা যায়।দিন যায় রাত আসে, আসে ভোরও। দেখা হয়না চক্ষু মেলিয়া-ঘর হইতে দুই পা ফেলিয়া।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন